‘ভারত মাতার জয়’ স্লোগান ইস্যুতে অরুণাচলে মসজিদে উত্তেজনা
‘ভারত মাতার জয়’ স্লোগান ইস্যুতে অরুণাচলে মসজিদে উত্তেজনা
ভারতমাতার জয় বল। মুসলিম ইমাম বলছেন না,আমরা ভারত মাতার জয় বলতে পারবো না। তখন দুষ্কৃতকারীরা বলছে এদের কোরআনেই গন্ডগোল আছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের অরুণাচল প্রদেশে। যেখানে মসজিদে প্রবেশের পর মসজিদের ইমাম এবং তার সঙ্গীকে বন্দে মাতরম এবং ভারত মাথার জয় স্লোগান দিতে বাধ্য করা হচ্ছিলো।
কিন্তু মসজিদের ইমাম ভারত মাথার জয় বলতে অস্বীকৃতি জানান। তখন একজন বলেন, এদের কোরআনেই মুল গন্ডগোল। এখান থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, এরা ভারত বিরোধী। খাবে ভারতে, নিশ্বাস নেবে ভারতে কিন্তু মনে থাকবে পাকিস্তান।
তখন ইমাম সাহেব বলেন, আমরা ভারত জিন্দাবাদ বলতে পারি অর্থাৎ ভারত চিরজীবী হোক এটা বলতে পারি কিন্তু আমরা ভারত মাথার জয় বলতে পারবো না। এনিয়ে ভারতের তথাকথিত কমিউনিস্টের মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে।

অনেকে বলছে, ইমাম সাহেব, ভারত মাথার জয় বলতে কি অসুবিধা? ভারতে থাকবেন আর ভারতের জয় বলবেন না। তাহলে তো আপনারা দেশদ্রোহীই হলেন। ওপরওপর দেখলে তো বিষয়টি ঠিক এমন মনে হয়। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র । আসলে ভারত মাথার জয় বলতে, হিন্দুরা ভারতের মা, এমন এক কাল্পনিক দেবীর পুঁজা করে।
আর ভারত মাথার জয় বলা মানে এই দেবীর জয় স্বীকার করা। যা ইসলামে মুলত সবচেয়ে বড় গুনাহ শিরক। কারণ মুসলমান এক আল্লাহ ছাড়া কারো নিচে মাথা নত করে না। ‘ভারত মাতার জয়’ স্লোগান ইস্যুতে অরুণাচলে মসজিদে উত্তেজনা

সুত্র বলছে,আর এই কথা ওই যুবকেরা খুব ভালো ভাবেই জানেন। যে মুসলমানেরা ভারত মাথার জয় বলবে না। কারণ এটা তাদের ধর্মের বিরুদ্ধে যায়। এজন্যও ইচ্ছে করে মুসলমানদের দেশদ্রোহী প্রমানের জন্য এই প্রশ্ন পুরো ভারত জুড়ে মুসলমানদের করছে তারা।
এতে তাদের ডাবল সুবিধা। যদি মুসলমানেরা ভারত মাথার জয় বলে, তাহলে সে শিরক করবে। না করলেও ভালো। তখন তাকে দেশদ্রোহী প্রমান করতে পারবে। কারণ ভিডিও করবার জন্য তারা মোবাইল ক্যামেরা রেডি করেই এনেছে।
গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, এই ঘটনার পেছনে দায়ি অরুণাচল প্রদেশ আদিবাসী যুব সংগঠন। মুলত এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাপর মেয়িং এবং সভাপতি তারো সোনম লিয়াক রাজ্যে নির্মিত মসজিদগুলির বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে একটি আল্টিমেটাম জারি করেছেন।

অরুণাচল আদিবাসী যুব সংগঠনের সভাপতি সোনম লিয়াক সতর্ক করে বলেছেন যে, কর্তৃপক্ষ যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে একটি বিশাল প্রতিবাদ শুরু করবো আমরা এবং তারপর তরুণরা নিজেরাই এই স্থাপনাগুলি ভেঙে ফেলবে।
তাদের পরিকল্পনা ভারতের মসজিদ গুলো ভেঙে ফেলা। আসলে বাংলাদেশে ক্ষমতা পদর্শনের জন্য যেমন নেতারা এলাকায় বিভিন্ন অধিপত্যি দেখায়। নির্বাচন প্রচারণা চালানোর জন্য মিছিল মিটিং করে কিন্তু ভারতে নির্বাচন প্রাচরণা ও এলাকায় জনপ্রিয় হবার জন্য তারা মুসলমানদের ওপর অত্যাচার করে।
ভারতের সাধারণ জনগণের দাবি, আসলে ভারতের সাধারণ হিন্দুরা এসব কাজ খুবই কম করে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক পায়দা লুটবার জন্য রাজনৈতিক নেতারা এভাবে তাদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে। বিশেষ করে যদি নির্বাচন সামনে থাকে তাহলে এই কর্মকাণ্ড গুলো আরো বেড়ে যায়।
নিউজটি ভিডিও আকারে দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ‘ভারত মাতার জয়’ স্লোগান ইস্যুতে অরুণাচলে মসজিদে উত্তেজনা







